পুতিনের সঙ্গে দেখা করতে রেলযাত্রা করলেন কিম

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করতে রাশিয়ার ভ্লাদিভোস্তকের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছেন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন। তিনি যে সাঁজোয়া ট্রেনে করে দেশের বাইরে যান, সেটি সোমবার (১১ সেপ্টেম্বর) দেশ ছাড়তে দেখা গেছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের বরাতে এক প্রতিবেদনে বিবিসি বলছে, রাশিয়ার ভ্লাদিভোস্তকের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে এই বৈঠক হওয়ার কথা। এর আগে রুশ সংবাদ সংস্থা ইন্টারফেক্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, কয়েকদিনের মধ্যে রাশিয়া যাচ্ছেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন।
ঠিকঠাক মতো রাশিয়া যেতে পারলে, চার বছরের মধ্যে এটিই হবে কিমের প্রথম বিদেশ সফর। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, এই বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিষয় নিয়ে আলাপ করা হবে। ইউক্রেন যুদ্ধে সহযোগিতা করতে মস্কোকে অস্ত্র দিতে পারে পিয়ংইয়ং। বিনিময়ে নিতে পারে খাদ্য ও পরমাণু সহায়তা।
বন্ধু হচ্ছেন তাঁরা, চিন্তায় পড়ল পশ্চিমারাবন্ধু হচ্ছেন তাঁরা, চিন্তায় পড়ল পশ্চিমারা। গত মঙ্গলবার, হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে উত্তর কোরিয়া যদি রাশিয়ার সাথে অস্ত্র চুক্তি করে তবে তাদেরকে "মূল্য দিতে হবে"। যদিও তিনি এই সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত বলেননি।
এর আগে ২০১৯ সালে সর্বশেষ দেশের বাইরে সফর করেন কিম জং উন। ওই সময় তিনি ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে দেখা করেন। এ ছাড়া পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গেও কথা হয় তাঁর। ওই সময়ও তিনি ট্রেনেই যাত্রা করেছিলেন।
কিম জং উন যে ট্রেনে যাচ্ছেন, তাতে অত্যাধুনিক অস্ত্র রয়েছে বলে শোনা যায়। ট্রেনের ভেতর ২০টি বুলেটপ্রুফ গাড়ি রয়েছে। এ কারণে ট্রেনটি অনেক ভারী এবং ঘণ্টায় ৫৯ কিলোমিটারের বেশি গতিতে যেতে পারে না।
রাশিয়ার ভ্লাদিভোস্তকে যেতে কিম জং উনের পুরো একদিন সময় লাগতে পারে।
ভ্লাদিভোস্টক উত্তর কোরিয়ার সীমান্ত থেকে ১৩০ কিলোমিটার (৮০ মাইল) দূরে অবস্থিত।
সূত্র: বিবিসি, সিএনএন